বিশ্বের সবচেয়ে ছোট ফোরজি স্মার্টফোন

ফোনটির নাম হবে জেলি। চলবে অ্যান্ড্রয়েড ৭.০ নোগাট সংস্করণে। এতে দুটি ন্যানো সিম সমর্থন করবে। ফোরজি নেটওয়ার্ক-সমর্থিত বিশ্বের সবচেয়ে ছোট ফোন হবে এটি।

চীনের সাংহাইভিত্তিক উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ইউনিহার্জ এই স্মার্টফোন তৈরির জন্য তহবিল সংগ্রহে নেমেছে। কিকস্টার্টারে ৩০ হাজার মার্কিন ডলার তহবিল সংগ্রহের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে সে লক্ষ্য পূরণ হয়ে গেছে। ফোনটি সম্পর্কে বলা হচ্ছে, এটি কয়েন পকেট, ব্যাগের ছোট অংশ, জামার সামনের পকেট এমনকি হাতের তালুর মধ্যে সহজে ধরে যাবে। সাদা, নীল ও কালো রঙে এটি বাজারে আসবে। স্টোরেজের ভিত্তিতে এর দুটি মডেল বাজারে পাওয়া যাবে। এক জিবি র‍্যাম ও আট জিবি স্টোরেজের স্মার্টফোনটির দাম হবে ১০৯ মার্কিন ডলার আর ২ জিবি র‍্যাম ও ১৬ জিবি স্টোরেজের মডেলটির দাম হবে ১২৫ মার্কিন ডলার।

একটিকে বলা হবে জেলি ও আরেকটিকে বলা হবে জেলি প্রো। চলতি বছরের আগস্ট মাসে এটি বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে চীনের ওই প্রতিষ্ঠানটির। জেলি স্মার্টফোনটি হবে ২ দশমিক ৪৫ ইঞ্চি (২৪০ বাই ৪৩২ পিক্সেল) মাপের। এতে থাকবে টিএফটি এলসিডি ডিসপ্লে। ১ দশমিক ১ গিগাহার্টজ কোয়াড কোর প্রসেসরের ফোনটিতে মাইক্রোএসডি কার্ড সমর্থন করবে। ফোনটির পেছনে ৮ ও সামনে ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা থাকবে। ব্যাটারি হবে ৯৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার। জিপিএস, ব্লুটুথ ৪.০, ওয়াই-ফাই সুবিধা থাকবে এতে।

বিশ্বের শীর্ষ স্মার্টফোন নির্মাতাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার লক্ষ্য নেই ইউনিহার্জের। ব্যাকআপ ফোন বা স্মার্টফোনের পাশাপাশি বাড়তি আরেকটি দরকারি ফোন হিসেবে জেলি ব্যবহার করা যাবে বলে মনে করছে ইউনিহার্জ।

ব্যাটারির রাজা কে১০০০০ প্রো স্মার্টফোন!

আধুনিক স্মার্টফোনগুলোর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জটি হলো ব্যাটারি শক্তিমত্তা। স্মার্টফোনের কাজ এতই বেশি যে, এগুলো সারতে প্রচুর শক্তির দরকার। তাই ব্যাটারি যতটা শক্তিশালী, তত বেশি ও দীর্ঘক্ষণ কাজ করা যাবে ফোনে। বড় বড় ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন ৩০০০-৪০০০এমএএইচ শক্তির ব্যাটারি দিয়ে ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলো বাজারে আনে। বিশেষভাবে হয়তো ৫০০০এমএএইচ শক্তির ব্যাটারি। এদের সবাইকে ছাপিয়ে চীনের স্মার্টফোন নির্মাতা অকিটেল বানায় কে১০০০০ মডেলের ফোন। একে নিয়ে আলোচনার বিষয় একটিই, এর ব্যাটারি ১০০০০এমএএইচ শক্তির!

আগামী জুনেই কে১০০০০ এর প্রো মডেলটি বাজারে আসবে। এই স্মার্টফোনটি হাতে থাকা মানে রীতিমতো একটি পাওয়ার ব্যাংক নিয়ে ঘোরা। কিন্তু এই বিশাল শক্তির ব্যাটারি চার্জ করতেও তো অনেক সময় লাগার কথা। সে সমস্যা মাথায় রেখেই এবার ১২ভি/২এ ফ্ল্যাশ চার্জার দেবে অকিটেল। এর মাধ্যমে ব্যাটারি চার্জ হতে সময় লাগবে মাত্র ৩ ঘণ্টা।

বাকি স্পেসিফিকেশনও দারুণ। ৫.৫ ইঞ্চি পর্দায় রয়েছে কর্নিং গরিলা গ্লাসের নিরাপত্তা। মিডিয়াটেক এমটি৬৭৫০টি অক্টা-কোর এসওসি প্রসেসর নতুন মডেলকে আরো শক্তিশালী করবে। র‍্যাম থাকছে ৩ জিবি। অভ্যন্তরে মিলবে ৩২ জিবি স্টোরেজ। যেহেতু ব্যাটারি বেশ শক্তিশালী, তাই এর ওজন ২৯২.৫ গ্রাম।

জুনেই বাজারে ছাড়া হবে এটাকে। দাম সম্পর্কে কোনো ধারণা দেওয়া হয়নি। ট্যাগলাইনে বলা হচ্ছে ‘টু বি দ্য কিং’। রাজা হতেই আসছে ফোনটি, ব্যাটারির রাজা। পেছনে ফিঙ্গারপ্রিন্টও থাকবে।

উড়ুক্কু গাড়ি আনছে উবার

যোগাযোগসেবার ক্ষেত্রে নতুন লক্ষ্য ঠিক করেছে ট্যাক্সি পরিবহন সেবাদাতা হিসেবে পরিচিত উবার। উড়ুক্কু ট্যাক্সিসেবা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ) নির্ভর এ উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানটি। ২০২০ সাল নাগাদ টেক্সাস ও দুবাইতে এ সেবা চালু করার লক্ষ্য উবারের। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে অনুষ্ঠিত উবার এলিভেট সামিটে উবারের প্রধান পণ্য কর্মকর্তা জেফ হলডেন এ তথ্য জানান।

উবারের এ উড়ুক্কু ট্যাক্সি হবে আকারে ছোট। এটি বৈদ্যুতিক শক্তি বা চার্জে চলবে। এ ছাড়া মাটি থেকে অনুভূমিকভাবে আকাশে উড়তে পারবে। এ যান কোনো বায়ুদূষণ করবে না বলে শহরের মধ্য দিয়েও যাতায়াত করতে পারবে।
উবার কর্তৃপক্ষ মনে করছে, উড়ুক্কু গাড়িসেবা চালু করা সম্ভব হলে সানফ্রান্সিসকোর মারিনা থেকে সান হোসে যেতে মাত্র ১৫ মিনিট সময় লাগবে। বর্তমানে রাস্তা ধরে গাড়িতে গেলে দুই ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। উড়ুক্কু গাড়ি চড়ার খরচও কম হবে।
বর্তমানে উড়ুক্কু গাড়িসেবা দিতে গাড়ি আকাশে ওঠা-নামার জন্য চারটি ল্যান্ডিং প্যাড তৈরি করছে উবার। এতে সহযোগিতা করছে হিলউড প্রোপার্টিজ।
বর্তমান স্টার্ট আপ বা উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান হিসেবে উবারের মূল্য ৬ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। উড়ুক্কু গাড়িসেবা দিতে ইতিমধ্যে বেল হেলিকপ্টার, অরোরা, পিপিসট্রেল, মুনি ও অ্যাম্বারার নামের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তি করেছে উবার। ২০২০ সালে দুবাইয়ে অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড এক্সপোতে উড়ুক্কু ট্যাক্সিসেবা দিতে দুবাই সরকারের সঙ্গেও চুক্তি করেছে উবার।

প্রতি সেকেন্ডে ক্যামেরায় পাঁচ লাখ কোটি ছবি?

সুইডেনের একদল বিজ্ঞানী এবার বিশ্বের দ্রুততম ক্যামেরা বানিয়েছেন। এটা প্রতি সেকেন্ডে পাঁচ ট্রিলিয়ন বা পাঁচ লাখ কোটি ছবি তুলতে পারে। রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, জীববিদ্যা ও বায়োমেডিসিনের অতি দ্রুতগতির বিভিন্ন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে এই ক্যামেরা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।

অতি সূক্ষ্ম ফোটন কণার গতিবিধি ধারণের জন্য গবেষকেরা ওই নতুন ক্যামেরা ব্যবহার করে দেখেছেন। ব্যাপারটা এত স্বল্প সময়ে ঘটে যে খালি চোখে দেখা বা সাধারণ ক্যামেরায় ছবি তোলা অসম্ভব।

গবেষকেরা বলেন, নতুন ক্যামেরাটি প্রথমে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার ছবিই তুলবে। সুইডেনের সুপরিচিত লুন্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক এলিয়াস ক্রিস্টেনসন বলেন, এই ক্যামেরা প্রকৃতির সব সূক্ষ্ম কার্যক্রমের ছবি তোলার জন্য যথেষ্ট নয়। তবে প্লাজমা ফ্ল্যাশ, জ্বলন, প্রাণীর মস্তিষ্কের কার্যক্রম ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার কিছু বিরল ছবি এটি ধারণ করতে পারবে। প্রকৃতিতে এমন অনেক কিছু এত দ্রুত ঘটে যে সেগুলোর চলমান ছবি বা ভিডিও ধারণের সুযোগ নেই। তবে স্থিরচিত্র নেওয়া যায়। সেই স্থিরচিত্রগুলোকে একসঙ্গে জুড়ে দিয়ে চলমান ছবি বানানোর চেষ্টা করা হবে।

এ বিষয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন ফ্রেম সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

সর্ববৃহৎ এক্স-রে মেশিন : এখন অদেখাকে দেখবে মানুষ!

বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের আকার-আয়তন নিয়ে আমাদের কোনো জ্ঞান নেই। কী সুবিশাল আর অসীম তার বিস্তৃতি! কিন্তু এই ব্রহ্মাণ্ডের অতি ক্ষুদ্র জিনিসের আণবিক গঠনেও কত রহস্য লুকিয়ে! এগুলো দেখতে ও জানতে পারলেও অনেক রহস্য উন্মোচিত হয়। আর সে ব্যবস্থাই করে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা। ইউরোপিয়ান এক্সএফইএল প্রজেক্টের অধীনে তৈরি হয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এক্স-রে লেজার মেশিন। বেশ কিছু দিন আগে থেকেই এর যাবতীয় কাজ শেষ করে আনায় ব্যস্ত ছিলেন বিজ্ঞানীরা। এখন এটি প্রস্তুত।

জার্মানির হামবুর্গের কাছে অবস্থিত ডেজি (ডিইএসওয়াই) রিসার্চ সেন্টারের বিজ্ঞানীরা এটি বানিয়েছেন। জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, পোল্যান্ড, রাশিয়া, স্পেন, সুইডেন এবং সুইজারল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা একযোগে কাজ করেন। এই মেশিনের মাধ্যমে যেকোনো জিনিসের আণবিক গঠন পর্যন্ত স্পষ্ট দেখা যাবে। যে কাজটি এর আগে স্বপ্ন হয়েই ছিল।

এর আগেই বলা হয়েছিল, এই এক্স-রে লেজার মেশিনের মাধ্যমে ২.১ কিলোমিটার বা ১.৩ মাইল পর্যন্ত গতির সঙ্গে ইলেকট্রন ফায়ার করা যাবে। ইতিমধ্যে মেশিনের মাধ্যমে রঞ্জন রশ্মি ফায়ার করা হয়েছে যা আকাঙ্ক্ষিত গতি তুলতে সমর্থ হয়েছে। এই ইউরোপিয়ান এক্সএফইএল মেশিন মাত্র এক সেকেন্ডে ২৭০০০টি এক্স-রে ফ্ল্যাশ উৎপাদন করতে পারে। এই ফ্ল্যাশগুলো এতটাই শক্তিশালী যে আণবিক গঠনের এমন ছবি দেখাবে যা আগে কখনো দেখা সম্ভব হয়নি।

আসরে মাইক্রো স্তরে গিয়ে এ দুনিয়াকে দেখা দুঃসাধ্য কাজ। এখন তাই করা যাবে। এখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণার কাজকে আরো সফলভাবে এগিয়ে নেওয়া যাবে। যেমন- সাধারণ রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু বা ভাইরাসের গঠন আরো কাছ থেকে দেখা যাবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে আর নতুন ও সফল কিছু যোগ করা সম্ভব হবে।

এভাবে পৃথিবীটাকে যত গভীরভাবে দেখা সম্ভব হবে, আমাদের জ্ঞান তত বৃদ্ধি পাবে। ততই এগিয়ে যাবে মানবসভ্যতা, এমনটাই মনে করেন বিজ্ঞানীরা।

১৭টি লেন্সের অ্যাকশন ক্যামেরা এনে চমকে দিল গুগল

নতুন ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ক্যামেরা নিয়ে এসে ভি আরে নিজেদের জায়গা পাকাপাকি করতে চলেছে গুগল। চীনা ক্যামেরা সংস্থা ই হ্যালোর (Yi Halo) সঙ্গে যৌথভাবে এই ক্যামেরা আত্মপ্রকাশ করাচ্ছে গুগল। ই হ্যালো নামের এই ক্যামেরা আমেরিকার লাসভেগাসে ইতিমধ্যে আত্মপ্রকাশ করানো হয়েছে এবং এর দাম করা হয়েছে ১৭ হাজার মার্কিন ডলার।

এই ক্যামেরা 8K রেজুলিউশনে পার সেকেন্ডে ৩০টি ফ্রেম ক্যাপচার করতে পারে এবং 5.8K পার সেকেন্ডে ৬০ ফ্রেম ক্যাপচার করতে পারে। ক্যামেরাটিতে থাকছে মোট ১৭টি লেন্স। এছাড়াও ভিডিও দেখার জন্য এখানে একটি ছোট ডিসপ্লেও রয়েছে। আর ক্লাউডের মাধ্যমে ক্যামেরার ছবি ও ইনফরমেশ সেভ করা যাবে।

এছাড়া, বেশিরভাগ ভিআর ক্যামেরা রিগসের মতো ই হ্যালো’তে বড় একটি ক্যামেরার সঙ্গে একটি রিঙে অনেকগুলো অ্যাকশন ক্যামেরা অ্যাড করা। এবং এই ক্যামেরার ওজন প্রায় ৮ পাউন্ডের মতো। এই ক্যামেরার ব্যাটারি ১০০ মিনিট পর্যন্ত ব্যাকআপ দেবে।

শিগগিরই আসছে বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত ফোন

ফোনের সুরক্ষা নিয়ে ব্যবহারকারীদের দুশ্চিন্তা বরাবরের। ফোন চুরি গেলে বা হারিয়ে গেলে সবার আগে মাথায় ঘোরে ব্যক্তিগত তথ্য খোয়া যাওয়ার চিন্তা। ফোনের তথ্য সুরক্ষিত করতে প্যাটার্ন, পাসওয়ার্ড, ফিঙ্গার প্রিন্ট, রেটিনা স্ক্যান এমনই নানা রকম লক সিস্টেম ব্যবহার করি আমরা। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই লক সিস্টেম ভাঙা খুব একটা জটিল ব্যাপার নয়। তা হলে উপায়?

এই সমস্যারই সমাধান করবেন জন ম্যাকআফি। আমেরিকার এই কম্পিউটার প্রোগ্রামার ও ব্যবসায়ী সম্প্রতি তৈরি করেছেন এই স্মার্টফোন। ফোনটির নামও তাঁর নিজের নামেই।

এমজিটি কর্পোরেশনের হাত ধরে বাজারে আসবে এই ফোন। জনের দাবি, এটিই বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত স্মার্টফোন। কী কী রয়েছে এই ফোনে?

• ফোনের ব্যাক কভারের পিছনে রয়েছে অসংখ্য ছোট সুইচ।
• যার সাহায্যে ফোনের ব্যাটারি, ওয়াইফাই অ্যান্টেনা, ব্লুটুথ, ক্যামেরা, মাইক্রোফোন সবই ফোনের থেকে আলাদা করে দেওয়া যাবে।
• তবে কীভাবে এটি ফোনের সুরক্ষায় কাজ করবে তা খোলসা করে জানাতে চাননি ম্যাকআফি।
• জানা গিয়েছে, স্টিং রে বা আইএমএসআই ক্যাচার জাতীয় ফোন ট্র্যাকার দিয়েও ফোনটিকে ট্র্যাক করা যাবে না।
• এতে রয়েছে ওয়েব সার্চ অ্যানোনিমাইজার।
• ম্যাকআফি একটি টুইটে জানিয়েছেন, অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনেই চলবে এই স্মার্টফোনটি।
• ফোনটির প্রাথমিক দাম স্থির হয়েছে ১,১০০ ডলার(প্রায় ৭০,৬০০ টাকা)।
• এ বছরের জুন মাসেই ফোনের প্রথম ভার্সন ‘আলফা’র পরীক্ষা সম্পূর্ণ হবে। এরপরে চলতি বছরের শেষের দিকে আলফা বাজারে পাওয়া যাবে বলে দাবি করেছেন তিনি।
• ২০১৮-তেই এই ফোনের দ্বিতীয় ভার্সন আসবে বাজারে।